চা শিল্প পুনরুজ্জীবনে দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা: উৎপাদন বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি প্রসারের উদ্যোগ
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় উচ্চফলনশীল ক্লোন সম্প্রসারণ, শ্রমিক কল্যাণ ও ভ্যালু অ্যাডেড চা রপ্তানিতে নতুন রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে চা বোর্ড।
মাঠপর্যায়ের কৃষিকথা, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, টেকসই সেচ ও মাটির উর্বরতা সংরক্ষণ।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় উচ্চফলনশীল ক্লোন সম্প্রসারণ, শ্রমিক কল্যাণ ও ভ্যালু অ্যাডেড চা রপ্তানিতে নতুন রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে চা বোর্ড।
মরুভূমির জনপ্রিয় মিষ্টি ফল সাম্মাম এখন দেশের আবহাওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে আবাদ হচ্ছে; সুমিষ্ট স্বাদ ও উচ্চ বাজারমূল্যে চাষিদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা।
প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা জয় করে চরাঞ্চলের বালুময় জমিতে উচ্চফলনশীল দানাশস্য, ডাল ও তৈলবীজ চাষের উপযোগী প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কাজ করছেন গবেষকরা।
ডিজেল ও বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সোলার পাম্পের মাধ্যমে জমিতে পানি দিচ্ছেন কৃষকরা; বিঘাপ্রতি সেচ ব্যয় সাশ্রয়ে চাষিদের মুখে হাসি।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে চরাঞ্চলের নিচু জমি প্লাবিত হওয়ায় মাঠপর্যায়ে পুনর্বাসন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
দুধ ও মাংস উৎপাদনে টেকসই স্বনির্ভরতা অর্জন এবং দেশি জাতের গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে গবেষক ও বিজ্ঞানীদের সমন্বিত গবেষণার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
প্রান্তিক খামারিদের সাশ্রয়ী মূল্যে সুস্থ ও সবল লেয়ার ও সোনালী জাতের একদিনের বাচ্চা সরবরাহ নিশ্চিত করতে মিরপুর কেন্দ্রীয় হাঁস-মুরগি খামারে নতুন হ্যাচারি প্রযুক্তি।
পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, উন্নত বীজ এবং কৃষি প্রণোদনার যথাযথ ব্যবহারে নড়াইল জেলার তিন উপজেলায় আউশ ধানের সোনালী শীষে ভরে উঠেছে দিগন্তজোড়া মাঠ।
ভারী বৃষ্টির ক্ষতি কাটিয়ে সময়মতো সার-বীজের জোগান ও কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রমে চট্টগ্রাম অঞ্চলে রোপা আমন ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।
অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি অধিদপ্তরের নিবিড় পরামর্শে মধুপুর ও ঘাটাইলে আগাম ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিম চাষের ধুম; উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৯৪ হাজার মেট্রিক টন।
খুলনা ও পটুয়াখালীর লবণাক্ত জমিতে ব্রি ধান-৯৯ এবং ব্রি ধান-১০২ চাষ করে হেক্টরপ্রতি সাড়ে পাঁচ টন পর্যন্ত ফলন পেয়েছেন কৃষকরা; জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় এ জাতগুলো বিপ্লব ঘটিয়েছে।
কম খরচে দেশি মুরগির জাত সংরক্ষণ এবং ছোট আকারের বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ইনকিউবেটরে বাচ্চা ফুটিয়ে বাজারে বিক্রি করে উত্তরবঙ্গের বহু পরিবারের নারীরা দারিদ্র্য জয় করে আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করছেন।