আধুনিক কংক্রিটের সাইলো বা প্লাস্টিকের ড্রাম আসার আগে বাংলার প্রতিটি কৃষকবাড়ির উঠোনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকত ধানের গোলা বা ‘ডোলা’। বাঁশের শক্ত বাতার বুননের ওপর এঁটেল মাটি ও গোবরের ঘন প্রলেপ দিয়ে তৈরি হতো এই শস্যভাণ্ডার। এই লোকজ প্রযুক্তিতে লুকিয়ে ছিল গভীর বৈজ্ঞানিক কৌশল।
প্রাকৃতিক তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ
মাটি ও খড়ের পুরু দেয়াল বাইরের প্রচণ্ড রোদ বা শীতকে ভেতরে প্রবেশ করতে দিত না। এর ফলে গোলার ভেতরে তাপমাত্রা সবসময় স্থির থাকত এবং বীজ ধানের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা শতভাগ ভালো থাকত। গোলার তলায় চার কোণে চারটি পাথরের চাঁই বা পোড়ামাটির পায়া থাকত, যাতে মাটি থেকে কোনো আর্দ্রতা ওপরে উঠতে না পারে।





