কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্ত হাটে নগদ টাকায় স্থানীয় পণ্যের ব্যাপক কেনাবেচা

ভারতের সঙ্গে সীমান্ত হাটে স্থানীয় কৃষিপণ্য ও মসলা বাণিজ্যে নতুন গতি

মো. শামীম রেজা, সীমান্ত বাণিজ্য ডেস্ক(চিফ এডিটর)
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫০ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ২১৮১ বার পঠিত
রঙিন গ্রামীণ হাটে মানুষের কোলাহল ও কৃষিপণ্যের কেনাবেচা
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হাটে স্থানীয় চাষীদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও মসলার জমজমাট বেচাকেনা চলছে।ছবি: কৃষিবার্তা প্রতিনিধি / কুড়িগ্রাম
হরফ:
মূল বিষয়সমূহ এক নজরে (Key Highlights)
  • সীমান্ত হাটে কোনো শুল্ক ছাড়াই সরাসরি কৃষকরা পণ্য বিক্রি করতে পারছেন
  • বাংলাদেশি তাজা সবজি, মসলা ও সুস্বাদু পানের উচ্চ চাহিদা সীমান্ত ওপারে
  • চোরাচালান রোধ ও সীমান্তবাসীর অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন ৬টি হাট চালুর উদ্যোগ

সীমান্তবর্তী অঞ্চলে চোরাচালান বন্ধ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পারস্পরিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে চালু হওয়া বর্ডার হাটগুলো গ্রামীণ কৃষকদের জন্য এক চমৎকার উন্মুক্ত বাজারে পরিণত হয়েছে। সপ্তাহে একদিন বসা এই হাটগুলোতে কোনো শুল্ক ছাড়াই নির্ধারিত সীমার মধ্যে স্থানীয় পণ্য কেনাবেচা করা যায়।

স্থানীয় উৎপাদকের সরাসরি অংশগ্রহণ

সুনামগঞ্জের ডলুরা এবং কুড়িগ্রামের বালিয়ামারী সীমান্ত হাটে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় কৃষকরা ভোরেই নিজেদের খেতের তরতাজা লাউ, মিষ্টি কুমড়া, খাঁটি পাহাড়ি মধু ও দেশি কাঁচামরিচ নিয়ে এসেছেন। ভারতীয় অংশের নাগরিকরা বাংলাদেশি সুস্বাদু তাজা সবজি কিনতে হাটে ভিড় করছেন।

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চাষী আফজাল হোসেন বলেন, "হাটে আমার ৫০ কেজি কাঁচা আদা ও শুকনা মরিচ মাত্র দুই ঘণ্টায় বিক্রি হয়ে গেছে। ভারতীয় ক্রেতারা বাংলাদেশি পণ্যের স্বাদ খুব পছন্দ করেন। কোনো দালালি নেই, নগদ টাকায় বেচাকেনা করে খুব খুশি।"

নতুন সীমান্ত হাট চালুর পরিকল্পনা

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে আরও ৬টি নতুন বর্ডার হাট খোলার প্রস্তুতি চূড়ান্ত হয়েছে, যা সীমান্তবর্তী গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

প্রতিবেদক পরিচিতি

মো. শামীম রেজা, সীমান্ত বাণিজ্য ডেস্ক

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

ভারতের সঙ্গে সীমান্ত হাটে স্থানীয় কৃষিপণ্য ও মসলা বাণিজ্যে নতুন গতি | কৃষিবার্তা