দেশের মৎস্য রপ্তানির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিমায়িত চিংড়ি শিল্প। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তুলনামূলক কম খরচে উৎপাদিত ভেনামি চিংড়ির প্রসারের ফলে কিছুটা চ্যালেঞ্জে পড়েছিল বাংলাদেশের বাগদা ও গলদা চিংড়ি। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকার দেশে বাণিজ্যিকভাবে উচ্চফলনশীল ভেনামি চিংড়ি চাষের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি আজ সমুদ্রপথে শিপিং কনটেইনার ভাড়ার ওপর বিশেষ নগদ প্রণোদনার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
লবণাক্ত ঘেরে আধুনিক ক্লাস্টার ফার্মিং
খুলনা, পাইকগাছা ও কক্সবাজারে আধা-নিবিড় (সেমি-ইনটেনসিভ) পদ্ধতিতে ভেনামি চিংড়ি চাষ করে একরপ্রতি সনাতনী পদ্ধতির চেয়ে ৫ গুণ বেশি ফলন পাওয়া যাচ্ছে। জীবাণুমুক্ত পোনা (এসপিএফ) এবং বায়োসিকিউরিটি নিশ্চিত করায় চিংড়ির রোগবালাই শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।





