পাট কাটার ভরা মৌসুমে সাধারণত বাজারে সরবরাহের চাপে দাম পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় থাকেন কৃষকরা। তবে এ বছর ফরিদপুরের কানাইপুর, রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি এবং নাটোরের পাট মোকামগুলোতে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রাকৃতিক তন্তু ও জুট জিওটেক্সটাইলের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হওয়ায় দেশীয় স্পিনিং মিলগুলো সরাসরি মোকাম থেকে প্রতিযোগিতামূলক দরে কাঁচা পাট কিনছে।
তোষা পাটের চকচকে রঙে বাড়তি দাম
কৃষকরা এবার রিবন রেটিং ও স্বচ্ছ পানিতে পাট জাগ দেওয়ায় আঁশের রঙ হয়েছে সোনালী ও উজ্জ্বল। নিম্নমানের কালো পাটের চেয়ে উজ্জ্বল সোনালী আঁশের প্রতি মণে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি প্রিমিয়াম পাচ্ছেন চাষীরা। ফলে পরিশ্রমের উপযুক্ত মূল্য পেয়ে পাটচাষীদের মুখে তৃপ্তির হাসি ফুটেছে।





