বরেন্দ্র ও বদ্বীপ বাংলায় আমন ধান চাষের ঐতিহাসিক বিবর্তন: সনাতন জাত থেকে আধুনিক উচ্চফলনশীলে রূপান্তর
শতাব্দী প্রাচীন গভীর পানির আমনের ঐতিহ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার আধুনিক কৃষি বিজ্ঞান
ঐতিহাসিক কৃষক বিদ্রোহ, ভূমিস্বত্ব আন্দোলন, নদীতীরবর্তী সভ্যতা ও কৃষি ঐতিহ্যের দলিল।
শতাব্দী প্রাচীন গভীর পানির আমনের ঐতিহ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার আধুনিক কৃষি বিজ্ঞান
নওগাঁ, দিনাজপুর ও রাজশাহীর লাল মাটির বরেন্দ্রভূমিতে অষ্টম থেকে একাদশ শতকে পাল রাজাদের খনন করা সুবিশাল দীঘিগুলো ছিল প্রাচীন বাংলার সেচ ও সুপেয় পানির প্রধান প্রাকৃতিক আধার।
ইংরেজ নীলকর সাহেবদের জোরপূর্বক নীল চাষ এবং হিন্দু-মুসলিম জমিদারদের অবৈধ করের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার সাধারণ কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ করে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছিলেন হাজী শরীয়তুল্লাহ ও তার পুত্র দুদু মিয়া।
ব্রিটিশ ও জমিদারী শোষণের বিরুদ্ধে সুসং দুর্গাপুরের পাহাড়ি হাজং ও গারো কৃষকদের রক্তক্ষয়ী টঙ্ক আন্দোলন অবিভক্ত বাংলার কৃষক বিদ্রোহের ইতিহাসে এক অবিনাশী অধ্যায়।
১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার উত্তর জনপদে জেগে উঠেছিল অধিকারবঞ্চিত আধিয়ার ও বর্গাচাষীরা। উৎপাদিত ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগ চাষীর দাবিতে পরিচালিত এই রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম বাংলার কৃষক আন্দোলনের চিরন্তন গৌরব।
ইস্ট বেঙ্গল স্টেট অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড টেন্যান্সি অ্যাক্ট ১৯৫০ পাসের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগী জমিদার শ্রেণির বিলুপ্তি ঘটে এবং রায়ত বা প্রজা সরাসরি সরকারের সাথে ভূমির মালিকানায় যুক্ত হয়।