১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলার কৃষক সমাজ কেবল প্রত্যক্ষ অস্ত্রধারী যুদ্ধেই অংশ নেয়নি, বরং তাদের চেয়েও বড় ভূমিকা ছিল পুরো যুদ্ধকালীন খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খলকে টিকিয়ে রাখা। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বোমাবর্ষণ ও পাইকারি গণহত্যার মুখেও কৃষকরা খেত ছেড়ে পালিয়ে যাননি, নিয়মিত ফসল ফলিয়েছেন।
গেরিলা ক্যাম্পের খাদ্য জোগানদাতা কৃষক
গ্রামের প্রতিটি বাড়ি ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের গোপন ঘাঁটি। নিজের সন্তানদের অর্ধেক আহার দিয়ে গৃহবধূরা হাঁড়িতে ভাত চড়াতেন মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য। খেতের ধান কেটে লুকিয়ে রাখা হতো মাটির নিচে বা নদীর চরে, যাতে পাকিস্তানি সেনারা তা পুড়িয়ে দিতে না পারে।





