বিশ্ববাজারে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর সারের যে তীব্র মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিয়েছিল, তা সম্প্রতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত ফসফেট ও পটাশের দাম স্থিতিশীল থাকায় বাংলাদেশ সময়মতো প্রয়োজনীয় সার আমদানি সম্পন্ন করতে পেরেছে।
বিসিআইসি ও বিএডিসি গুদামে পর্যাপ্ত মজুত
কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বাফার গুদামগুলোতে বর্তমানে ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সারের রেকর্ড মজুত রয়েছে। ফলে আগামী বোরো মৌসুমে সারের কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মূল্যের আশঙ্কা নেই।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মতিউর রহমান বলেন, "সরকার গত কয়েক বছর ধরে বিপুল আর্থিক ভর্তুকি দিয়ে সারের দাম কৃষকের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রেখেছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় এখন বাজেট ঘাটতি কমবে, অথচ কৃষকরা আগের দামেই সার কিনতে পারবেন। এটি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বড় ইতিবাচক বার্তা।"
ডিজিটাল ডিলারশিপ ট্র্যাকিং
সারের অবৈধ মজুদদারি ও সীমান্ত দিয়ে পাচার রোধে কিউআর কোডযুক্ত ডিজিটাল ট্র্যাকিং পদ্ধতি কার্যকর করা হয়েছে, যার ফলে ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিলারদের বিক্রির রিয়েল-টাইম তথ্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দেখতে পাচ্ছে।