চলতি মৌসুমে সারের দাম অপরিবর্তিত রাখতে সরকারের প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি বরাদ্দ

কৃষি উপকরণ ও সারের আন্তর্জাতিক মূল্য স্থিতিশীলতায় উৎপাদন খরচে কৃষকের স্বস্তি

মো. জাহিদুল ইসলাম, অর্থনীতি প্রতিবেদক(চিফ এডিটর)
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩০ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ২৩১১ বার পঠিত
কৃষি গুদামে সার ও বীজের সুসজ্জিত বস্তার সারি
সারের পর্যাপ্ত মজুত ও সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে আসন্ন ফসলি মৌসুমে উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে স্বস্তিতে চাষীরা।ছবি: কৃষিবার্তা নিজস্ব আলোকচিত্রী
হরফ:
মূল বিষয়সমূহ এক নজরে (Key Highlights)
  • আন্তর্জাতিক বাজারে সারের মূল্য স্থিতিশীল হওয়ায় জাতীয় বাজেটে ভর্তুকির চাপ লাঘব
  • চলতি বোরো মৌসুমের জন্য দেশের গুদামগুলোতে রেকর্ড পরিমাণ সার মজুত রয়েছে
  • ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির সুযোগ বন্ধ

বিশ্ববাজারে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর সারের যে তীব্র মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিয়েছিল, তা সম্প্রতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত ফসফেট ও পটাশের দাম স্থিতিশীল থাকায় বাংলাদেশ সময়মতো প্রয়োজনীয় সার আমদানি সম্পন্ন করতে পেরেছে।

বিসিআইসি ও বিএডিসি গুদামে পর্যাপ্ত মজুত

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বাফার গুদামগুলোতে বর্তমানে ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সারের রেকর্ড মজুত রয়েছে। ফলে আগামী বোরো মৌসুমে সারের কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মূল্যের আশঙ্কা নেই।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মতিউর রহমান বলেন, "সরকার গত কয়েক বছর ধরে বিপুল আর্থিক ভর্তুকি দিয়ে সারের দাম কৃষকের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রেখেছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় এখন বাজেট ঘাটতি কমবে, অথচ কৃষকরা আগের দামেই সার কিনতে পারবেন। এটি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বড় ইতিবাচক বার্তা।"

ডিজিটাল ডিলারশিপ ট্র্যাকিং

সারের অবৈধ মজুদদারি ও সীমান্ত দিয়ে পাচার রোধে কিউআর কোডযুক্ত ডিজিটাল ট্র্যাকিং পদ্ধতি কার্যকর করা হয়েছে, যার ফলে ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিলারদের বিক্রির রিয়েল-টাইম তথ্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দেখতে পাচ্ছে।

প্রতিবেদক পরিচিতি

মো. জাহিদুল ইসলাম, অর্থনীতি প্রতিবেদক

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

কৃষি উপকরণ ও সারের আন্তর্জাতিক মূল্য স্থিতিশীলতায় উৎপাদন খরচে কৃষকের স্বস্তি | কৃষিবার্তা