ফসল তোলার মৌসুমে কম দামে বিক্রি ঠেকাতে গুদামজাত শস্যের বিপরীতে জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা সম্প্রসারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কৃষিবার্তা(ম্যানেজিং এডিটর, KrishiBartha.com)
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৩ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ বার পঠিত
আধুনিক শস্য গুদামে ধান সংরক্ষণ করে ওয়ারহাউজ রসিদ গ্রহণ করছেন কৃষক। (ফাইল ছবি)
আধুনিক শস্য গুদামে ধান সংরক্ষণ করে ওয়ারহাউজ রসিদ গ্রহণ করছেন কৃষক। (ফাইল ছবি)ছবি: বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষিঋণ বিভাগ
হরফ:
ফসল কাটার মৌসুমে বাজারে হঠাৎ অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে কৃষকরা যাতে উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে শস্য বিক্রি করতে বাধ্য না হন, সেজন্য গুদামজাত শস্যের বিপরীতে ঋণ সুবিধা (ওয়ারহাউজ রিসিপ্ট ফাইন্যান্সিং) সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই পদ্ধতির আওতায় কৃষক তার ধান বা গম অনুমোদিত মানসম্মত গুদামে জমা রেখে একটি ইলেকট্রনিক রসিদ পাবেন, যার বিপরীতে ব্যাংকগুলো তাৎক্ষণিক শস্যের মূল্যের ৭০ শতাংশ পর্যন্ত স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অনেক সময় দেনা শোধ বা পরবর্তী ফসলের উপকরণ কেনার তাড়াহুড়োয় কৃষকরা মৌসুমের শুরুতেই পানির দরে ফসল বিক্রি করে দেন। পরবর্তী সময়ে যখন বাজারে দাম বাড়ে, তখন সেই লাভ চলে যায় বড় মজুতদারদের পকেটে। নতুন এই অর্থায়ন ব্যবস্থার ফলে কৃষক শস্য গুদামে রেখে প্রয়োজনীয় নগদ টাকা পাবেন এবং পরবর্তীতে বাজারে দাম বাড়লে শস্য বিক্রি করে ঋণ সমন্বয় করতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের নির্বাচিত খাদ্য গুদাম ও সমবায় শস্যভাণ্ডারগুলোকে আধুনিক আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তির আওতায় এনে এই পাইলট প্রকল্পে যুক্ত করা হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা ক্ষুদ্র কৃষকদের আর্থিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে গেম-চেঞ্জার হিসেবে কাজ করবে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য দূর করে কৃষি বাণিজ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে।
প্রতিবেদক পরিচিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কৃষিবার্তা

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।