জৈব সার উৎপাদনে স্বাবলম্বী হচ্ছেন গ্রামীণ তরুণরা: কেঁচো সার বা ভার্মিকম্পোস্টের বাণিজ্যিক প্রসার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কৃষিবার্তা(ম্যানেজিং এডিটর, KrishiBartha.com)
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ বার পঠিত
বাণিজ্যিক ভার্মিকম্পোস্ট শেডে কেঁচো সার বাছাই ও মোড়কজাতকরণে নিয়োজিত গ্রামীণ উদ্যোক্তারা। (ফাইল ছবি)
বাণিজ্যিক ভার্মিকম্পোস্ট শেডে কেঁচো সার বাছাই ও মোড়কজাতকরণে নিয়োজিত গ্রামীণ উদ্যোক্তারা। (ফাইল ছবি)ছবি: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই)
হরফ:
মাটির উর্বরতা পুনরুদ্ধার এবং রাসায়নিক সারের ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হ্রাস করতে গ্রামীণ পর্যায়ে বাণিজ্যিকভাবে ভার্মিকম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে শিক্ষিত তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা অল্প পুঁজিতে এই পরিবেশবান্ধব সার উৎপাদন করে নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকদের মানসম্মত জৈব সার সরবরাহ করছেন। মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই)-এর গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ভার্মিকম্পোস্ট ব্যবহারে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, মাটির গঠন উন্নত হয় এবং উপকারী জীবাণুর সংখ্যা বহুলাংশে বাড়ে। গোবর ও খামারের জৈব বর্জ্যের সঙ্গে বিশেষ জাতের কেঁচো (আইসেনিয়া ফেটিডা) মিশিয়ে মাত্র ৪০ থেকে ৫০ দিনে উৎকৃষ্ট মানের জৈব সার তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। বগুড়া, যশোর ও পাবনার কয়েকটি উপজেলায় দেখা গেছে, বহু তরুণ উদ্যোক্তা সমবায় ভিত্তিতে শেড তৈরি করে প্রতি মাসে টনকে টন ভার্মিকম্পোস্ট উৎপাদন করছেন। স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি কেঁচো সার ১২ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নার্সারি, সবজি ক্ষেত ও ছাদবাগানিদের কাছে দারুণ সমাদৃত। এসআরডিআই ও কৃষি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তাদের মান নিয়ন্ত্রণ ও আর্দ্রতা পরীক্ষার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যাতে বাজারে ভেজালমুক্ত খাঁটি জৈব সারের সরবরাহ নিশ্চিত থাকে।
প্রতিবেদক পরিচিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কৃষিবার্তা

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

সম্পর্কিত সংবাদ

কৃষি বিভাগের আরও সংবাদ →