কাঁচাবাজারে সবজি ও আলুর সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের নিবিড় বাজার তদারকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কৃষিবার্তা(ম্যানেজিং এডিটর, KrishiBartha.com)
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৩ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ বার পঠিত
পাইকারি কাঁচাবাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ ও দরদাম মনিটরিং কার্যক্রমে যৌথ দল। (ফাইল ছবি)
পাইকারি কাঁচাবাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ ও দরদাম মনিটরিং কার্যক্রমে যৌথ দল। (ফাইল ছবি)ছবি: কৃষি বিপণন অধিদপ্তর (ডিএএম)
হরফ:
রাজধানীসহ দেশের বড় বড় পাইকারি ও খুচরা কাঁচাবাজারে আলু, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মৌসুমি শাকসবজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং অতিরিক্ত মুনাফাবাজি ঠেকাতে নিবিড় তদারকি শুরু করেছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর (ডিএএম)। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ মনিটরিং দল প্রতিদিন সকালে প্রধান প্রধান আড়তে অভিযান পরিচালনা করছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের দৈনিক বাজার দর পর্যালোচনা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মোকামগুলো থেকে রাজধানীতে সবজির সরবরাহ আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। ফলে পাইকারি পর্যায়ে বেগুন, পটল ও কাঁচামরিচের দরে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে খুচরা পর্যায়ে যৌক্তিক মুনাফা বজায় রাখতে প্রতিটি দোকানে দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা টাঙানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ডিএএম-এর এক কর্মকর্তা জানান, মধ্যস্বত্বভোগীদের কৃত্রিম কারসাজি বন্ধে পরিবহন পর্যায়ে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে নিম্নবিত্ত ও সাধারণ ক্রেতাদের স্বস্তি দিতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে কৃষকের বাজার ও ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে ন্যায্যমূল্যে সবজি বিক্রির পরিধি বাড়ানো হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, উৎপাদন অঞ্চল থেকে সরাসরি পণ্য নিয়ে এসে বিক্রির এই চ্যানেলগুলো আরও বিস্তৃত করা গেলে ভোক্তা পর্যায়ে স্বস্তি আসবে এবং কৃষকও তার উৎপাদিত ফসলের সঠিক মূল্য পাবেন।
প্রতিবেদক পরিচিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কৃষিবার্তা

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

সম্পর্কিত সংবাদ

কৃষি বিভাগের আরও সংবাদ →