পারিবারিকভাবে দেশি মুরগি পালন ও মিনি ইনকিউবেটরে ডিম ফুটিয়ে প্রান্তিক নারীদের বাড়তি আয়ের সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, কৃষিবার্তা(ম্যানেজিং এডিটর, KrishiBartha.com)
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ বার পঠিত
গৃহকোণে দেশি মুরগির ক্ষুদ্র খামার ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিচর্যায় নিয়োজিত গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তা। (ফাইল ছবি)
গৃহকোণে দেশি মুরগির ক্ষুদ্র খামার ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিচর্যায় নিয়োজিত গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তা। (ফাইল ছবি)ছবি: পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর
হরফ:
গ্রামীণ গৃহস্থালি কাজের পাশাপাশি দেশি মুরগি পালন এবং ছোট আকারের সোলার বা বিদ্যুৎচালিত মিনি ইনকিউবেটরে ডিম ফুটিয়ে সংসারে সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনছেন উত্তরাঞ্চলের চরাঞ্চলের প্রান্তিক নারীরা। বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সমন্বিত সহযোগিতায় এই ক্ষুদ্র খামার মডেল এখন একটি সফল গ্রামীণ কুটির শিল্পে রূপ নিয়েছে। প্রচলিত ব্রয়লার বা কমার্শিয়াল মুরগির তুলনায় দেশি মুরগি রোগবালাই প্রতিরোধী এবং এর মাংস ও ডিমের বাজারমূল্য প্রায় দ্বিগুণ। স্থানীয় জাতের এক একটি দেশি মুরগি বছরে পর্যাপ্ত ডিম দিলেও প্রাকৃতিক ওমে সব ডিম ফোটানো কঠিন হয়। এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে নারীদের স্বল্পমূল্যের মিনি ইনকিউবেটর ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যেখানে একবারে ৬০ থেকে ১২০টি ডিম থেকে শতকরা ৮৫ ভাগ হারে সুস্থ বাচ্চা ফোটানো সম্ভব হচ্ছে। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা খামারি নারীদের সময়মতো রানীক্ষেত ও বসন্ত রোগের ভ্যাকসিন বিনামূল্যে সরবরাহ করছেন। পাশাপাশি বাড়ির আশেপাশের অপ্রচলিত খাবার ও দানাদার শস্য দিয়ে সুষম খাদ্য তৈরির কৌশলও শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে। খামারি নারীরা জানিয়েছেন, পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি প্রতি মাসে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা বাড়তি আয় হচ্ছে, যা তারা সন্তানদের পড়াশোনা ও পারিবারিক সঞ্চয়ে কাজে লাগাচ্ছেন।
প্রতিবেদক পরিচিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কৃষিবার্তা

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

সম্পর্কিত সংবাদ

কৃষি বিভাগের আরও সংবাদ →