গ্রামীণ খামারিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে আধুনিক দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও চিলিং সেন্টার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কৃষিবার্তা(ম্যানেজিং এডিটর, KrishiBartha.com)
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৩ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ বার পঠিত
গ্রামীণ দুগ্ধ সমবায়ের চিলিং সেন্টারে স্বয়ংক্রিয় তাপমাত্রায় দুধ সংগ্রহ ও শীতলীকরণ প্রক্রিয়া। (ফাইল ছবি)
গ্রামীণ দুগ্ধ সমবায়ের চিলিং সেন্টারে স্বয়ংক্রিয় তাপমাত্রায় দুধ সংগ্রহ ও শীতলীকরণ প্রক্রিয়া। (ফাইল ছবি)ছবি: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও সমবায় দুগ্ধ সমিতি
হরফ:
দেশের প্রত্যন্ত চরাঞ্চল ও গ্রামাঞ্চলের ক্ষুদ্র দুগ্ধ খামারিদের উৎপাদিত কাঁচা দুধের অপচয় রোধ এবং সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক বাজারে সরবরাহ নিশ্চিতে আধুনিক চিলিং সেন্টার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের বড় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন (মিল্ক ভিটা)। এর আওতায় চলনবিল ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন উপজেলায় নতুন ২০টি ডিজিটাল দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। খামারিদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, দুধ দোহনের পর উপযুক্ত শীতলীকরণ ব্যবস্থার অভাবে দূরবর্তী হাটবাজারে কম দামে মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে বিক্রি করতে হতো। নতুন চিলিং সেন্টারগুলো চালু হলে খামারিরা দোহনের দুই ঘণ্টার মধ্যে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় দুধ সংরক্ষণ করতে পারবেন। এতে দুধের গুণমান ও ঘনত্ব অপরিবর্তিত থাকবে এবং স্বয়ংক্রিয় ফ্যাটোমিটার টেস্টের ভিত্তিতে খামারিরা সরাসরি ন্যায্যমূল্য পাবেন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, এসব চিলিং সেন্টারের সঙ্গে ইনসুলেটেড রোড মিল্ক ট্যাংকার যুক্ত থাকবে, যা সরাসরি কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ প্লান্টে শীতল দুধ পৌঁছে দেবে। এছাড়া খামারিদের জন্য সৌরবিদ্যুৎ চালিত মিনি কুলিং ভ্যাট ও স্বাস্থ্যসম্মত অ্যালুমিনিয়াম মিল্ক ক্যান বিতরণের বিশেষ প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। দুগ্ধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিরবচ্ছিন্ন কোল্ড-চেইন গড়ে উঠলে দেশে গুঁড়ো দুধের আমদানিনির্ভরতা হ্রাস পাবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে নিয়মিত নগদ অর্থের প্রবাহ সৃষ্টি হবে।
প্রতিবেদক পরিচিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কৃষিবার্তা

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

সম্পর্কিত সংবাদ

কৃষি বিভাগের আরও সংবাদ →