রপ্তানিমুখী চিংড়ি খাতের সুরক্ষায় ভেনামি ও বাগদার রোগমুক্ত এসপিএফ পোনা উৎপাদনে হ্যাচারি আধুনিকীকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কৃষিবার্তা(ম্যানেজিং এডিটর, KrishiBartha.com)
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৩ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ বার পঠিত
উপকূলীয় আধুনিক হ্যাচারিতে রোগমুক্ত ভেনামি ও বাগদা চিংড়ির পোনা নিবিড় পর্যবেক্ষণ। (প্রতীকী ছবি)
উপকূলীয় আধুনিক হ্যাচারিতে রোগমুক্ত ভেনামি ও বাগদা চিংড়ির পোনা নিবিড় পর্যবেক্ষণ। (প্রতীকী ছবি)ছবি: মৎস্য অধিদপ্তর ও বিএফএফইএ
হরফ:
আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানির প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে এবং রোগমুক্ত মানসম্মত পোনা সরবরাহ বাড়াতে উপকূলীয় অঞ্চলের হ্যাচারিগুলোর আধুনিকায়নে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। বিশেষ করে বাণিজ্যিকভাবে অনুমোদিত হোয়াইটলেগ ভেনামি এবং ঐতিহ্যবাহী বাগদা চিংড়ির জন্য স্পেসিফিক প্যাথোজেন ফ্রি (এসপিএফ) ব্রুডস্টক আমদানি ও পোনা উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের এক নির্দেশনায় জানানো হয়, কক্সবাজার, খুলনা ও সাতক্ষীরার উপকূলীয় হ্যাচারিগুলোতে পিসিআর ল্যাব টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো হ্যাচারি উপযুক্ত পরীক্ষাগার ও আন্তর্জাতিক বায়োসিকিউরিটি সনদ ছাড়া খামারিদের কাছে পোনা সরবরাহ করতে পারবে না। এতে করে খামারি পর্যায়ে মড়ক বা হোয়াইট স্পট সিন্ড্রোম ভাইরাসের (ডব্লিউএসএসভি) আক্রমণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফইএ) নেতৃবৃন্দ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে ভেনামি চিংড়ির বিপুল চাহিদা রয়েছে। উন্নত প্রযুক্তির পোনা এবং নিবিড় চাষপদ্ধতি নিশ্চিত করা গেলে হেক্টরপ্রতি উৎপাদন তিন থেকে চার গুণ বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের রপ্তানি আয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। একইসঙ্গে উপকূলীয় চাষিদের জন্য আধুনিক পুকুর প্রস্তুতি, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট এবং প্লাস্টিক শিটযুক্ত বায়োসিকিউর ঘের নির্মাণে সহজ শর্তে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
প্রতিবেদক পরিচিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কৃষিবার্তা

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

সম্পর্কিত সংবাদ

কৃষি বিভাগের আরও সংবাদ →