আবহমান বাংলার সামাজিক ক্যালেন্ডারে অগ্রহায়ণ মাস ছিল আনন্দের বার্তা নিয়ে আসা এক বিশেষ ঋতু। মাঠজুড়ে পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধ, কৃষকের মাথায় ধানের আঁটি আর উঠোনে ঢেঁকির শব্দে মুখরিত হতো প্রতিটি জনপদ। এই নবান্ন শুধু একটি উৎসব নয়, এটি ছিল প্রকৃতির প্রতি মানুষের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের প্রাচীন লোকঐতিহ্য।
নতুন চালের পিঠা ও ক্ষীর-পায়েসের আয়োজন
নবান্নের প্রথম দিনে নতুন চালের ভাত রান্না করে কাক ও পাখিদের উদ্দেশ্যে নিবেদন করা হতো, যাকে বলা হতো ‘কাকবলি’। এরপর নতুন চালের গুঁড়ো দিয়ে তৈরি হতো ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা, পুলি ও দুধের ক্ষীর। বিবাহিত কন্যারা নাইওর আসত বাপের বাড়ি, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের নিমন্ত্রণ করে খাওয়ানো হতো।





