অনাবাদি দেড় শতক জায়গায় বছরব্যাপী ১৭ ধরনের শাকসবজি ও ফল উৎপাদন মডেল

বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টিবাগান করে গ্রামীণ নারীদের স্বাবলম্বিতা

নাসরিন আক্তার, গ্রামীণ উন্নয়ন ডেস্ক(চিফ এডিটর)
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৫ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ১৯৮০ বার পঠিত
বসতবাড়ির আঙিনায় তাজা শাকসবজির পুষ্টিবাগানে নারী উদ্যোক্তা
বাড়ির আঙিনায় ফেলে রাখা জমিতে পুষ্টিবাগান গড়ে তুলে পরিবারের পুষ্টি ও স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করছেন গ্রামীণ নারীরা।ছবি: কৃষিবার্তা প্রতিনিধি / গোপালগঞ্জ
হরফ:
মূল বিষয়সমূহ এক নজরে (Key Highlights)
  • বসতবাড়ির অনাবাদি ১.৫ শতক জায়গায় ৫টি বিজ্ঞানসম্মত বেডে বছরব্যাপী চাষ
  • পারিবারিক পুষ্টির ১০০% চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়
  • সারাদেশে ৫ লক্ষাধিক গ্রামীণ পরিবারের আঙিনায় সফল পুষ্টিবাগান স্থাপন

গ্রামীণ জনপদে বসতবাড়ির চারপাশে অনেক জায়গা রোদ-বাতাস পেয়েও অনাবাদি পড়ে থাকত। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘পারিবারিক পুষ্টিবাগান স্থাপন প্রকল্প’ সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। দেড় শতক বা এক শতক জায়গাকে ৫টি বেডে ভাগ করে সারা বছর মৌসুমভিত্তিক পুষ্টিসমৃদ্ধ শাকসবজি চাষ করা হচ্ছে।

কালিদাসপুর মডেল ও পুষ্টি নিরাপত্তা

বেডগুলোতে লালশাক, কলমিশাক, পালং, পুঁইশাকের পাশাপাশি বরবটি, লাউ, কাঁচামরিচ ও পুষ্টিগুণসম্পন্ন বারোমাসি সজিনা গাছ লাগানো হয়। জৈব সার ও ভার্মিকম্পোস্ট ব্যবহার করায় এই সবজি সম্পূর্ণ কেমিক্যালমুক্ত।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার গৃহিণী ফাতেমা বেগম বলেন, "আমার আঙিনায় এখন প্রতিদিন তাজা শাকসবজি পাওয়া যায়। ছেলেমেয়েদের কিনে খাওয়ানোর চিন্তা থাকে না। নিজেরা খাওয়ার পর প্রতি সপ্তাহে পাড়া-প্রতিবেশীর কাছে বিক্রি করে ৫০০-৬০০ টাকা বাড়তি সঞ্চয় হচ্ছে।"

স্বাস্থ্য সূচকে ইতিবাচক রূপান্তর

পুষ্টিবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই পারিবারিক পুষ্টিবাগান গ্রামীণ নারী ও শিশুদের রক্তস্বল্পতা ও অপুষ্টি দূরীকরণে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখছে। সরকার দেশব্যাপী প্রতিটি ইউনিয়নে এই পুষ্টিবাগান সম্প্রসারণে বিনামূল্যে বীজ ও উপকরণ সহায়তা দিচ্ছে।

প্রতিবেদক পরিচিতি

নাসরিন আক্তার, গ্রামীণ উন্নয়ন ডেস্ক

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

সম্পর্কিত সংবাদ

কৃষি বিভাগের আরও সংবাদ →
বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টিবাগান করে গ্রামীণ নারীদের স্বাবলম্বিতা | কৃষিবার্তা