বোরো বা আমন কাটার সাথে সাথে পারিবারিক খরচ ও পূর্বের ধারদেনা মেটাতে কৃষকদের কম দামেই ধান বিক্রি করে দিতে হতো। অথচ চার মাস পরেই বাজারে ধানের মণপ্রতি দাম ৪০০-৫০০ টাকা বেড়ে যেত, যার পুরোটাই চলে যেত মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে। এই বৈষম্য দূর করতে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ‘ওয়্যারহাউস রিসিপ্ট সিস্টেম’ বা গুদামজাত শস্য রসিদ ঋণ প্রকল্প।
কীভাবে কাজ করে শস্য রসিদ ঋণ
কৃষক তার ধান খাদ্য বিভাগ বা নিবন্ধিত ওয়্যারহাউসে নিয়ে গিয়ে মান পরীক্ষা করে জমা রাখবেন। গুদাম কর্তৃপক্ষ তাকে একটি আধুনিক ডিজিটাল বারকোডযুক্ত রসিদ প্রদান করবে। এই রসিদ জমা দিয়ে স্থানীয় তফসিলি ব্যাংক থেকে ফসলের বর্তমান বাজারমূল্যের ৮০ শতাংশ টাকা মাত্র ৩ দিনের মধ্যে স্বল্পসুদে ঋণ হিসেবে নেওয়া যায়।



