ভূগর্ভস্থ সেচ ছাড়াই কেবল মৌসুমি বৃষ্টিতে উৎপন্ন হচ্ছে ব্রি ধান-৪৮ ও ব্রি ধান-৯৮

আউশ মৌসুমে খরা সহনশীল ধান চাষে বৃষ্টির পানির সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার

মো. সাজ্জাদ হোসেন, যশোর(চিফ এডিটর)
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩০ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ১৪২১ বার পঠিত
বৃষ্টিস্নাত ধানের ক্ষেতে চাষাবাদরত কৃষকের প্রতিচ্ছবি
প্রাকৃতিক বৃষ্টির পানিকে কাজে লাগিয়ে আউশ মৌসুমে স্বল্প মেয়াদি উচ্চফলনশীল ধানের আবাদ চলছে।ছবি: কৃষিবার্তা ফটো ডেস্ক
হরফ:
মূল বিষয়সমূহ এক নজরে (Key Highlights)
  • আউশ ধান উৎপাদনে ভূগর্ভস্থ সেচ লাগে না, বর্ষার পানিতেই ফলন সম্ভব
  • ব্রি ধান-৯৮ মাত্র ১০৫ দিনে পাকে, হেক্টরপ্রতি ফলন প্রায় ৫ টন
  • বছরে তিন ফসল চাষের মাধ্যমে কৃষকের পারিবারিক চালের নিরাপত্তা সুদৃঢ়

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপদাহের পর আষাঢ়ের বৃষ্টিকে কাজে লাগিয়ে আউশ ধান আবাদে নতুন উদ্যম তৈরি হয়েছে কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও যশোর অঞ্চলে। ভূগর্ভস্থ পানি তুলতে কোনো গভীর নলকূপের প্রয়োজন হয় না বলে আউশকে সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব খাদ্যশস্য হিসেবে গণ্য করা হয়।

ব্রি-৪৮ ও ব্রি-৯৮ জাতের সাফল্য

ব্রি উদ্ভাবিত নতুন জাতগুলো মাত্র ১০৫ থেকে ১১০ দিনে পেকে যায়। ফলে আউশ কাটার পর কৃষকরা অনায়াসে রোপা আমন ধান লাগানোর পর্যাপ্ত সময় পান। এমনকি খরা দেখা দিলেও এই ধানের শিষ শুকিয়ে নষ্ট হয় না।

মেহেরপুরের কৃষক মজিবুর রহমান বলেন, "আউশ আবাদে সার ও সেচের খরচ একদম কম। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠে জমি তৈরি করে বীজ বুনে দিলেই বর্ষার পানিতে বড় হয়ে যায়। বিঘাপ্রতি ১৪-১৫ মণ ধান ঘরে তুলতে পেরেছি কোনো বাড়তি সেচ ছাড়াই।"

খাদ্য মজুত ও ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধি

কৃষি অধিদপ্তরের নীতি অনুযায়ী, আউশ আবাদ বাড়ানো গেলে দেশের সামগ্রিক খাদ্য উদ্বৃত্ত নিশ্চিত হবে এবং বোরো ধানের ওপর দেশের শতভাগ চালের নির্ভরতা হ্রাস পাবে।

প্রতিবেদক পরিচিতি

মো. সাজ্জাদ হোসেন, যশোর

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

সম্পর্কিত সংবাদ

কৃষি বিভাগের আরও সংবাদ →
আউশ মৌসুমে খরা সহনশীল ধান চাষে বৃষ্টির পানির সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার | কৃষিবার্তা