ভাদ্র-আশ্বিন মাসের মৃদু বৃষ্টি এবং মাটির অনুকূল আর্দ্রতাকে বৃক্ষরোপণের অন্যতম সেরা সময় হিসেবে বিবেচনা করেন উদ্যান বিশেষজ্ঞরা। এ মৌসুমে লাগানো গাছের চারা দ্রুত শিকড় বিস্তার করে এবং আসন্ন শীতের আগেই শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ‘পারিবারিক পুষ্টি বাগান’ প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের বসতবাড়ির আঙিনায় ফলদ বৃক্ষরোপণ অভিযান গতিশীল করা হয়েছে।
থাই পেয়ারা ও বারোমাসি কুলের বাণিজ্যিক রূপ
প্রচলিত আম ও কাঁঠালের পাশাপাশি এখন কৃষকরা উচ্চফলনশীল থাই পেয়ারা, ভারত সুন্দরী কুল, থাই জাম্বুরা এবং কলমের বারোমাসি আম্রপালি গাছের চারা বেশি রোপণ করছেন। বাড়ির চারপাশের পতিত জমিতে মাত্র ৫ থেকে ১০টি কলম গাছ লাগিয়ে সারা বছর পরিবারের পুষ্টি মেটানোর পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে বাড়তি অর্থ আয় সম্ভব হচ্ছে।





