উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি ধান-৯৯ ও ১০২ চাষে কৃষকদের নতুন দিগন্ত

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক(চিফ এডিটর)
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ বার পঠিত
বৃষ্টিস্নাত ধানের ক্ষেতে চাষাবাদরত কৃষকের প্রতিচ্ছবি
প্রাকৃতিক বৃষ্টির পানিকে কাজে লাগিয়ে আউশ মৌসুমে স্বল্প মেয়াদি উচ্চফলনশীল ধানের আবাদ চলছে।ছবি: কৃষিবার্তা ফটো ডেস্ক
হরফ:
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলাগুলোতে মাটির লবণাক্ততা দিন দিন বাড়লেও কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত লবণাক্ততা সহনশীল ধান চাষে মিলছে অভাবনীয় সাফল্য। চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট এবং পটুয়াখালীর বিস্তৃত উপকূলীয় চরাঞ্চলে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত 'ব্রি ধান-৯৯' ও 'ব্রি ধান-১০২' চাষ করে আশাতীত ফলন পেয়েছেন চাষিরা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সূত্রে জানা গেছে, স্বাভাবিক ধান যেসব জমিতে ১২ থেকে ১৪ ডিএস/মিটার লবণাক্ততায় টিকতে পারে না, সেখানে নতুন এই উদ্ভাবিত জাতগুলো অনায়াসেই স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখতে পারে। সাধারণ ধানের চেয়ে এ জাতগুলোতে পোকামাকড়ের আক্রমণও অপেক্ষাকৃত কম হয় এবং চালের গুণমান মাঝারি চিকন হওয়ায় বাজারে এর চাহিদাও বেশ চড়া। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কৃষক মো. আবদুল করিম জানান, আগে তাদের জমি বছরের অর্ধেক সময় লবণাক্ততার কারণে অনাবাদী পড়ে থাকত। গত দুই মৌসুম ধরে কৃষি বিভাগের প্রদর্শনী প্লটে ব্রি ধান-১০২ চাষ করে তারা প্রতি হেক্টরে প্রায় ৫.৫ টন ফলন পেয়েছেন। মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব ধানের খড়ও গবাদিপশুর জন্য চমৎকার খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে উপকূলের কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ করায় আগামী বোরো মৌসুমে এ জাতগুলোর আবাদ দ্বিগুণে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদক পরিচিতি

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

সম্পর্কিত সংবাদ

কৃষি বিভাগের আরও সংবাদ →
উপকূলে লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি ধান-৯৯ ও ১০২ চাষে বাম্পার ফলন | কৃষিবার্তা