পটুয়াখালী, ধামরাই ও বিজয়নগরের কুমারপাড়াগুলোতে এখনও ভোর থেকে শুরু হয় চাকার ঘর্ঘর আওয়াজ। নরম এঁটেল কাদামাটি ছেনে কাঠের চাকা ঘুরিয়ে নিপুণ আঙুলের স্পর্শে রূপ দেওয়া হয় এক একটি অপূর্ব শিল্পকর্ম— মাটির হাঁড়ি, কলস, সরা, ফুলদানি, প্রদীপ ও মাটির ব্যাংক। রোদে শুকিয়ে বিশেষ চুল্লি বা পোড়ানে পুড়িয়ে লালবর্ণ ধারণ করা এই মাটির তৈজসপত্র বাংলার মাটির খাঁটি গন্ধ বহন করে।
স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব মাটির পাত্র
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, মাটির পাত্রে রান্না করা খাবার প্রাকৃতিকভাবে ক্ষারীয় ভারসাম্য বজায় রাখে এবং খাবারের পুষ্টিগুণ অটুট থাকে। এছাড়া মাটির কলসির ঠান্ডা পানি গ্রীষ্মকালে ফ্রিজের চেয়েও স্বাস্থ্যসম্মত। প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ায় আধুনিক শহরের মানুষের মাঝে মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা আবার নতুন করে বাড়ছে।





