বর্ষার শেষভাগে চলনবিলের বিস্তীর্ণ জলরাশি যখন ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে, তখন বিলজুড়ে জেলেদের জালে ধরা পড়ে বিপুল পরিমাণ দেশি ছোট মাছ— পুঁটি, খলসে, টেংরা, চান্দা, বাইম ও বাতাসী। তাজা মাছের স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত মাছ সংরক্ষণ করতেই পাবনার চাটমোহর এবং সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও সিংড়া অঞ্চলে গড়ে ওঠে সুবিশাল ‘শুঁটকি চাতাল’ বা শুঁটকি মহাল।
কীটনাশকহীন প্রাকৃতিক উপায়ে শুকানো
একসময় শুঁটকিতে ক্ষতিকর ডিডিটি বা বালাইনাশক ব্যবহারের অভিযোগ উঠলেও চলনবিলের কারিগররা এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ পদ্ধতিতে শুঁটকি তৈরি করছেন। মাছ কেটে ভালো করে পরিষ্কার করে লবণ মাখিয়ে বাঁশের তৈরি মাচায় কড়া রোদে ৫ থেকে ৭ দিন শুকানো হয়। মাছের মাচায় মশারির নেট ব্যবহার করে মাছি ও পোকার উপদ্রব রোধ করা হচ্ছে।





