নদী, খাল আর জলধারায় ঘেরা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবন নৌকার সাথে অবিচ্ছেদ্য। বিশেষ করে বর্ষাকালে যখন রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়, তখন কৃষকের জমিতে যাওয়া, ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছানো কিংবা হাটে পণ্য আনা-নেওয়ার জন্য ছোট কোষা ও ডিঙ্গি নৌকাই একমাত্র অবলম্বন। এই নৌকার সবচেয়ে বড় জোগান আসে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা খালের তীরের শতবর্ষী নৌকার হাট থেকে।
মেহগনি, রেইনট্রি ও বাবলা কাঠের মজবুত গড়ন
স্বরূপকাঠির কাঠমিস্ত্রিরা বংশপরম্পরায় নৌকা তৈরির কারিগর। মেহগনি, বাবলা, চাম্বল ও কড়ই কাঠ চেরাই করে আলকাতরা মেখে নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয় ৮ থেকে ১২ হাত লম্বা এই কোষা নৌকাগুলো। একেকটি নৌকা তৈরি করতে দুজন কারিগরের সময় লাগে দুই থেকে তিন দিন। পানিতে ভাসিয়ে আলকাতরা দিলে এসব নৌকা টানা ৮ থেকে ১০ বছর অক্ষত থাকে।





