উত্তরাঞ্চলের ভুট্টা চাষীদের সাথে ফিডমিল মালিকদের সরাসরি চুক্তিভিত্তিক সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে উঠেছে

মানসম্মত পশুখাদ্য ও ফিড মিল উৎপাদনে দেশীয় ভুট্টা ও সয়াবিনের ব্যবহার বাড়ছে

মো. মাহফুজুর রহমান, শিল্প ডেস্ক(চিফ এডিটর)
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ১৮৪০ বার পঠিত
আধুনিক কারখানায় দানাদার খাদ্য ও ভুট্টার সাইলো গুদাম
দেশীয় উন্নত ভুট্টার পুষ্টিগুণকে কাজে লাগিয়ে স্বয়ংক্রিয় প্ল্যান্টে উৎপাদিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের পশুখাদ্য।ছবি: কৃষিবার্তা নিজস্ব আলোকচিত্রী
হরফ:
মূল বিষয়সমূহ এক নজরে (Key Highlights)
  • ফিড মিলে দেশীয় ভুট্টার ব্যবহার শতকরা ৭০ ভাগে উন্নীত হয়েছে
  • আধুনিক সাইলো ও ড্রায়ার সুবিধার কারণে ভুট্টার আর্দ্রতা আদর্শ মানে থাকে
  • পোল্ট্রি ও মাছের খাবারে প্রোটিনের মান বাড়াতে স্বয়ংক্রিয় পেলেট প্রযুক্তি

দেশের প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতের দ্রুত বিকাশের সাথে সাথে ফিড মিল শিল্পের পরিধি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বে ফিড তৈরির প্রধান উপাদান ভুট্টা ও সয়াবিনের সিংহভাগ ব্রাজিল ও ভারত থেকে আনতে হতো। বর্তমানে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও চুয়াডাঙ্গার ভুট্টা স্থানীয় ফিড মিলগুলোর প্রধান কাঁচামালে পরিণত হয়েছে।

স্বয়ংক্রিয় পেলেট ও এক্সট্রুডার প্রযুক্তি

গাজীপুর ও ময়মনসিংহের আধুনিক ফিড কারখানাগুলোতে কম্পিউটারাইজড ব্যালান্সিং মেশিনে প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলসের সুষম মিশ্রণ ঘটিয়ে পেলেট খাদ্য তৈরি হচ্ছে। এতে পোল্ট্রির গ্রোথ রেট বাড়ে এবং খাবারে পুষ্টির অপচয় সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে।

ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের এক কর্মকর্তা জানান, "দেশীয় ভুট্টার আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে এখন সাইলো ও ড্রাইয়ার প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। স্থানীয় চাষীদের কাছ থেকে সরাসরি সংগ্রহ করায় পরিবহণ ব্যয় কমছে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা সীমিত হয়েছে।"

মাননিয়ন্ত্রণ ও খাদ্য নিরাপত্তা

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর নিয়মিত ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করছে যাতে খাদ্যে কোনো ক্ষতিকর ভারী ধাতু বা অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ না থাকে। এর ফলে পোল্ট্রি মাংস ও ডিম মানুষের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ হিসেবে বাজারে আসছে।

প্রতিবেদক পরিচিতি

মো. মাহফুজুর রহমান, শিল্প ডেস্ক

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

মানসম্মত পশুখাদ্য ও ফিড মিল উৎপাদনে দেশীয় ভুট্টা ও সয়াবিনের ব্যবহার বাড়ছে | কৃষিবার্তা