শস্যবীমা ও গুদাম রসিদ ঋণে গ্রামীণ অর্থনীতিতে রেকর্ড পুঁজি প্রবাহ নিশ্চিত করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক(চিফ এডিটর)
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৯ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ বার পঠিত
ডিজিটাল আর্থিক পয়েন্টে লেনদেনের দৃশ্য ও স্মার্ট ডিভাইস
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রত্যন্ত গ্রামের হাটে বসেই কৃষকরা আধুনিক আর্থিক সেবা ও ঋণ গ্রহণ করছেন।ছবি: কৃষিবার্তা ফটো ডেস্ক
হরফ:
বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতির টেকসই ভিত গড়ে তুলতে কৃষি ঋণ ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী সংস্কারের বাস্তব ফল পেতে শুরু করেছেন প্রান্তিক কৃষকরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালার আওতায় শস্যবীমা পাইলট প্রকল্প এবং সরকারি-বেসরকারি অনুমোদিত গুদামে সংরক্ষিত ফসলের রসিদের বিপরীতে জামানতবিহীন ঋণ সম্প্রসারণের ফলে চলতি অর্থবছরে রেকর্ড পুঁজি বিতরণ হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে গ্রামীণ কৃষি খাতে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের হার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের জন্য নির্ধারিত বিশেষ কোটার সিংহভাগই বিতরণ করা হয়েছে ডিজিটাল স্মার্ট কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। অর্থনীতিবিদদের মতে, ফসল ওঠার মুহূর্তে মধ্যস্বত্বভোগী ফড়িয়াদের কম দামে ধান বিক্রির যে চিরচেনা বাধ্যবাধকতা থাকত, ওয়্যারহাউস রিসিপ্ট সিস্টেম সেই জিম্মিদশা থেকে কৃষকদের মুক্ত করছে। কৃষক এখন তার ফসল সরকারি বা স্বীকৃত সাইলোতে জমা রেখে তাৎক্ষণিক শতকরা ৬০ ভাগ পর্যন্ত সমমূল্যের ঋণ তুলে পারিবারিক ব্যয় মেটাতে পারছেন এবং পরবর্তীতে ভালো দামে পণ্য বিক্রি করে ঋণ সমন্বয় করছেন। কৃষি অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ব্যবস্থা কার্যকর থাকায় খাদ্য মূল্যস্ফীতির অনাকাঙ্ক্ষিত চাপ হ্রাস পাচ্ছে এবং বাজারে কৃত্রিম সরবরাহ সংকটের ঝুঁকি অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে।
প্রতিবেদক পরিচিতি

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

শস্যবীমা ও গুদাম রসিদ ঋণে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন জোয়ার | কৃষিবার্তা