মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে জিআই সনদপ্রাপ্ত সুগন্ধি চাল ও আমসত্ত্বের রফতানি চাহিদা বৃদ্ধি

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক(চিফ এডিটর)
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৯ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ বার পঠিত
সাদা ধবধবে সুগন্ধি চালের নিখুঁত স্তূপ ও শৈল্পিক উপস্থাপন
আন্তর্জাতিক বাজারে প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড হিসেবে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের সুগন্ধি চিনিগুঁড়া ও কালিজিরা চাল।ছবি: কৃষিবার্তা নিজস্ব আলোকচিত্রী / দিনাজপুর
হরফ:
বিশ্ববাজারে প্রবাসীদের পাশাপাশি মূলধারার ভোজনরসিকদের কাছে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদপ্রাপ্ত কৃষি পণ্যের কদর দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী চিনিগুঁড়া চাল, সুগন্ধি কালিজিরা এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমসত্ত্ব রফতানিতে ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বিশেষ করে ফাইটোস্যানিটারি ক্লিয়ারেন্স সহজীকরণ এবং ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কোল্ড স্টোরেজ কার্গো সুবিধা আধুনিকায়ন করায় পচনশীল ও প্রক্রিয়াজাত কৃষি পণ্যের চালান বাতিল হওয়ার হার শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং বা চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদের মাধ্যমে সরাসরি রাসায়নিকমুক্ত পদ্ধতিতে এসব সুগন্ধি ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে। এরপর আন্তর্জাতিক মানের ফুড-গ্রেড ভ্যাকুয়াম প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে ইউরোপীয় বাজারগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রফতানি শাখা জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও ঐতিহ্যবাহী কৃষিপণ্য রফতানি থেকে ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সব ধরনের নীতি সহায়তা জোরদার করা হয়েছে।
প্রতিবেদক পরিচিতি

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের সুগন্ধি চাল ও আমসত্ত্বের রফতানি বৃদ্ধি | কৃষিবার্তা