দেশের উত্তরাঞ্চলের সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও নাটোর জেলাকে বিবেচনা করা হয় বাংলাদেশের ‘মিল্ক শেড’ বা প্রধান দুগ্ধ উৎপাদন অঞ্চল। একসময় সঠিক সংরক্ষণের অভাবে গরমের দিনে খামারিদের হাজার হাজার লিটার দুধ নষ্ট হয়ে যেত। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্টেইনলেস স্টিলের স্বয়ংক্রিয় চিলিং ভ্যাট স্থাপন এই সমস্যা চিরতরে দূর করেছে।
৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দ্রুত শীতলীকরণ
গাভী দোহনের দুই ঘণ্টার মধ্যে খামারিরা স্থানীয় চিলিং পয়েন্টে দুধ নিয়ে আসেন। সেখানে ডিজিটাল ফ্যাটোমিটার দিয়ে চর্বির মান পরীক্ষার পর মুহূর্তেই দুধকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় নামিয়ে আনা হয়। এরপর ইনসুলেটেড রোড মিল্ক ট্যাংকারে করে তা ঢাকার প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় পাঠানো হয়।





