বিশ্ববিখ্যাত জিনবিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে ২০১০ সালে পাটের জিনোম সিকোয়েন্সিং উন্মোচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের কৃষি গবেষণায় এক ঐতিহাসিক দিগন্ত সূচিত হয়েছিল। সেই গবেষণার দীর্ঘমেয়াদী ফসল হিসেবে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) সম্প্রতি খরা ও মধ্যম লবণাক্ততা সহনশীল তোষা পাটের দুটি নতুন জাত মাঠ পরীক্ষার পর চূড়ান্ত ছাড়করণের অনুমোদন পেয়েছে।
আঁশের মান ও জলবায়ু সহনশীলতার জিন শনাক্ত
জিনোম তথ্যের ভিত্তিতে মার্কার অ্যাসিস্টেড ব্রিডিং (এমএবি) পদ্ধতির মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা এমন জিন শনাক্ত করতে পেরেছেন, যা পাটের আঁশের সেলুলোজ গঠনকে আরও মজবুত ও মসৃণ করে। নতুন এই জাতটি প্রচলিত তোষা পাটের চেয়ে ১৫ থেকে ২০ দিন আগে পরিপক্ব হয়, ফলে কৃষক পাট কাটার পর জমিতে সহজেই পরবর্তী রোপা আমন রোপণ করতে পারেন।





