রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির সবুজ পাহাড়ের গায়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রাচীন কৃষি ঐতিহ্য ‘জুম চাষ’। জুম কেবল খাদ্য উৎপাদনের উপায় নয়, এটি চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, বম, ম্রোসহ বিভিন্ন পাহাড়ি সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি, উৎসব ও পারিবারিক মেলবন্ধনের প্রধান ভিত্তি। প্রতি বছর বৈশাখ মাসে পাহাড়ি ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে জুমক্ষেত প্রস্তুত করা হয় এবং প্রথম বৃষ্টির পর শুরু হয় বীজ বোনার মহোৎসব।
মিশ্র শস্যবিন্যাস ও পুষ্টির সমৃদ্ধি
জুমের জমিতে একক কোনো ফসল ফলানো হয় না। একটিমাত্র গর্তে জুমের সুগন্ধি ধানের সাথে স্থানীয় পাহাড়ি ভুট্টার বীজ, তুলা, তিল, চিনাবাদাম, মিষ্টি কুমড়া ও পাহাড়ি মারফার বীজ ফেলা হয়। ফলে বছরের বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন ফসল পরিপক্ব হয়ে ওঠে এবং পাহাড়ি পরিবার সারা বছর বিভিন্ন ধরণের পুষ্টিকর খাবার পায়।





