কাঁচা বাজারের পাইকার ও আড়তদারদের কোটি টাকার লেনদেন কিউআর কোডে নিমিষেই সম্পন্ন

গ্রামীণ হাটে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসে (MFS) ফসলের নগদ লেনদেনে স্বচ্ছতা

মো. তৌহিদুল ইসলাম, ডিজিটাল ইকোনমি ডেস্ক(চিফ এডিটর)
৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ২৬১১ বার পঠিত
স্মার্টফোনে কিউআর কোড স্ক্যান করে ডিজিটাল পেমেন্টের ছবি
গ্রামীণ পাইকারি হাটে স্মার্টফোনে কিউআর কোড স্ক্যান করে সরাসরি ফসলের মূল্য পরিশোধ করছেন ক্রেতারা।ছবি: কৃষিবার্তা ফটো ডেস্ক
হরফ:
মূল বিষয়সমূহ এক নজরে (Key Highlights)
  • বগুড়া ও নরসিংদীর পাইকারি সবজি মোকামে বাংলা কিউআর কোডে ডিজিটাল লেনদেন
  • নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি ও জাল নোটের জালিয়াতি শতভাগ দূর হয়েছে
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্যাশলেস কৃষি হাট উদ্যোগ দ্রুত গতিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে

ভোরের আলো ফোটার আগেই বগুড়ার মহাস্থানগড় হাটে জড়ো হয় হাজার হাজার মণ ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা ও শিম। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাইকাররা আগে কোটি কোটি নগদ টাকা সঙ্গে করে নিয়ে আসতেন, যাতে ছিনতাই ও জাল নোটের বড় ঝুঁকি থাকত। বর্তমানে সেই দৃশ্য পুরোপুরি পাল্টে গেছে এমএফএস পেমেন্টের কারণে।

কিউআর কোড স্ক্যান ও তাৎক্ষণিক ক্যাশলেস পেমেন্ট

প্রতিটি কৃষক ও আড়তদারের কাছে এখন রয়েছে নিজস্ব মার্চেন্ট বা বাংলা কিউআর কার্ড। ট্রাক বোঝাই সবজি মেপে ওজন ঠিক হওয়ার পর পাইকার তার স্মার্টফোন দিয়ে কোড স্ক্যান করলেই টাকা চলে যাচ্ছে সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে। কোনো কমিশন বা বাড়তি চার্জ ছাড়াই এই লেনদেন হচ্ছে।

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সবজি চাষী লিয়াকত আলী বলেন, "আজ সকালে ৫০ মণ পটল বিক্রি করেছি। পাইকার ফোনে কোড স্ক্যান করে এক মিনিটের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পাঠিয়েছে। ব্যাংক বা বাড়িতে টাকা নিয়ে যাওয়ার কোনো টেনশন নেই, মোবাইলেই টাকা নিরাপদ থাকে।"

ক্যাশলেস হাটের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের প্রধান ৫০টি বড় পাইকারি কৃষি মোকামকে ‘ক্যাশলেস এগ্রি-মার্কেট’ হিসেবে রূপান্তরের পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, যা দেশের অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিতে নতুন মাইলফলক।

প্রতিবেদক পরিচিতি

মো. তৌহিদুল ইসলাম, ডিজিটাল ইকোনমি ডেস্ক

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

গ্রামীণ হাটে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসে (MFS) ফসলের নগদ লেনদেনে স্বচ্ছতা | কৃষিবার্তা