ভোরের আলো ফোটার আগেই বগুড়ার মহাস্থানগড় হাটে জড়ো হয় হাজার হাজার মণ ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা ও শিম। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাইকাররা আগে কোটি কোটি নগদ টাকা সঙ্গে করে নিয়ে আসতেন, যাতে ছিনতাই ও জাল নোটের বড় ঝুঁকি থাকত। বর্তমানে সেই দৃশ্য পুরোপুরি পাল্টে গেছে এমএফএস পেমেন্টের কারণে।
কিউআর কোড স্ক্যান ও তাৎক্ষণিক ক্যাশলেস পেমেন্ট
প্রতিটি কৃষক ও আড়তদারের কাছে এখন রয়েছে নিজস্ব মার্চেন্ট বা বাংলা কিউআর কার্ড। ট্রাক বোঝাই সবজি মেপে ওজন ঠিক হওয়ার পর পাইকার তার স্মার্টফোন দিয়ে কোড স্ক্যান করলেই টাকা চলে যাচ্ছে সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে। কোনো কমিশন বা বাড়তি চার্জ ছাড়াই এই লেনদেন হচ্ছে।




