আরব্য হলুদ ফল 'সাম্মাম' চাষে সাফল্য: পুষ্টি ও উচ্চমূল্যের নতুন ফলের বাণিজ্যিক সম্ভাবনায় লাভবান কৃষক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক(চিফ এডিটর)
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫০ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ বার পঠিত
সাম্মাম ফল চাষ ও বাণিজ্যিক উদ্যানতত্ত্ব সংক্রান্ত প্রতীকী ছবি
বাণিজ্যিক খামারে উৎপাদিত পুষ্টিকর মিষ্টি ফল সাম্মাম (প্রতীকী ছবি)ছবি: প্রতীকী ছবি
হরফ:
চট্টগ্রাম, ২০ সেপ্টেম্বর (কৃষিবার্তা ডেস্ক): মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সুস্বাদু ফল ‘সাম্মাম’ (সুইট মেলন বা রক মেলন) সফলভাবে চাষ করে লাভবান হচ্ছেন দেশের কৃষকরা। আকর্ষণীয় হলুদ রঙের মসৃণ ত্বক এবং ভেতরে রসালো সুমিষ্ট ঘ্রাণের কারণে দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে এই নতুন ফলের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। কৃষিবিদরা জানান, সাম্মাম অত্যন্ত পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ একটি ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি এবং পটাসিয়াম রয়েছে, যা শরীরের পানিশূন্যতা রোধ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। সাধারণত রোপণের ৭০ থেকে ৮০ দিনের মধ্যেই এই ফল পরিপক্ব হয় এবং একেকটি ফলের ওজন দুই থেকে তিন কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। দোআঁশ ও বেলে-দোআঁশ মাটিতে সামান্য নিবিড় পরিচর্যাতেই এর বাম্পার ফলন সম্ভব। চট্টগ্রাম ও সংলগ্ন অঞ্চলের ফলচাষিরা জানান, প্রথাগত ফসলের তুলনায় সাম্মাম চাষে বিঘা প্রতি মুনাফা অনেক বেশি। ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের সুপারশপ ও প্রিমিয়াম ফলের দোকানে এই ফলটি কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে শিক্ষিত তরুণ উদ্যোক্তারা ঝুঁকছেন বিদেশি এই ফলটির বাণিজ্যিক খামারে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, আধুনিক শেড ও মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করা হলে সাম্মামের রোগবালাই কম হয়। কৃষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও রোগমুক্ত বীজ সরবরাহে মাঠপর্যায়ে সার্বিক কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিবেদক পরিচিতি

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

সম্পর্কিত সংবাদ

কৃষি বিভাগের আরও সংবাদ →
আরব্য ফল সাম্মাম চাষে সাফল্য ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা | কৃষিবার্তা | কৃষিবার্তা