টাঙ্গাইল, পাবনা, কুষ্টিয়া ও কক্সবাজারের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে সাধারণ গ্রামীণ কৃষাণীরা গড়ে তুলেছেন এক অনন্য প্রতিরোধ আন্দোলন— ‘কমিউনিটি বীজ ব্যাংক’। বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর তৈরি করা একবার ব্যবহারযোগ্য বীজের ওপর নির্ভরতা কাটিয়ে নিজেদের জমির খাঁটি জাতগুলো তারা পরম যত্নে বংশপরম্পরায় বাঁচিয়ে রাখছেন। এই বীজ ব্যাংকে রয়েছে বিরল খরা সহনশীল, বন্যা সহনশীল ও সুগন্ধি দেশি জাতের ধান ও ডালের বিপুল সম্ভার।
মাটির হাঁড়িতে নিমপাতা ও ছাই দিয়ে বীজ সংরক্ষণ
বীজ সংরক্ষণে কোনো রাসায়নিক বিষ ব্যবহার করা হয় না। মাটির কলসি বা জালায় রোদে শুকানো বীজ রেখে তাতে শুকনো নিমপাতা, বিশকাটালী ও কাঠকয়লার ছাই মিশিয়ে মুখ ভালো করে এঁটেল মাটি দিয়ে লেপে বায়ুরোধী করা হয়। এভাবে রাখা বীজ তিন থেকে চার বছর পর্যন্ত শতভাগ অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা ধরে রাখতে পারে।





