দেশের উত্তরাঞ্চলসহ প্রধান প্রধান মসলা ও সবজি উৎপাদনকারী অঞ্চলের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত আলু ও পেঁয়াজ সংরক্ষণে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বেসরকারি হিমাগারগুলোর সিংহভাগ স্পেস প্রভাবশালী বড় ব্যবসায়ী ও মজুতদাররা মৌসুমের শুরুতেই অগ্রিম বুকিং করে নেন। ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জমি থেকে ফসল তুলে কম দামে বিক্রি করে দিতে হয়। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে সরকারি পর্যায়ে নীতিগত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কৃষক পরিষদ।
ক্ষুদ্র চাষীদের জন্য বাধ্যতামূলক সংরক্ষণ কোটা
কৃষক সংগঠনগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী, সকল বাণিজ্যিক হিমাগারে স্থানীয় ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য মোট সংরক্ষণ ক্ষমতার ন্যূনতম ২৫ শতাংশ সংরক্ষিত রাখতে হবে। এ কোটার জন্য হিমাগারের ভাড়ার একটি অংশ সরকার কৃষি প্রণোদনা হিসেবে ভর্তুকি দেবে।





