প্রত্যন্ত হাটের দোকানে বায়োমেট্রিক মেশিনে লেনদেন, সঞ্চয় ও তাৎক্ষণিক রেমিট্যান্স গ্রহণ

গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ডিজিটাল এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার অভাবনীয় বিস্তার

মো. তানভীরুল ইসলাম, ফিনটেক ও ব্যাংকিং ডেস্ক(চিফ এডিটর)
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৫ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ২৪৮১ বার পঠিত
ডিজিটাল আর্থিক পয়েন্টে লেনদেনের দৃশ্য ও স্মার্ট ডিভাইস
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রত্যন্ত গ্রামের হাটে বসেই কৃষকরা আধুনিক আর্থিক সেবা ও ঋণ গ্রহণ করছেন।ছবি: কৃষিবার্তা ফটো ডেস্ক
হরফ:
মূল বিষয়সমূহ এক নজরে (Key Highlights)
  • সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটে গ্রামের কোটি গ্রাহক সেবা নিচ্ছেন
  • বায়োমেট্রিক নিরাপত্তার কারণে নিরক্ষর কৃষকরাও সহজে হিসাব পরিচালনা করছেন
  • গ্রামীণ সঞ্চয় মূলধারার ব্যাংকিংয়ে যুক্ত হয়ে কৃষি বিনিয়োগে গতি এনেছে

একসময় ব্যাংকিং সেবা ছিল কেবল বড় শহর ও উপজেলা সদরের পাকা দালানে সীমাবদ্ধ। গ্রামের সাধারণ কৃষকদের সেখানে যেতে সময় ও ভাড়ার পয়সা খরচ করতে হতো। বাংলাদেশ ব্যাংকের সময়োপযোগী এজেন্ট ব্যাংকিং নীতিমালার ফলে এখন দেশের প্রতিটি প্রত্যন্ত ইউনিয়ন ও গ্রামীণ বাজারে ব্যাংকিং আউটলেট পৌঁছে গেছে।

আঙুলের ছাপ ও নিমিষেই লেনদেন

কৃষক তার জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে এজেন্ট বুথে গিয়ে মাত্র দুই মিনিটে আঙুলের ছাপে হিসাব খুলতে পারছেন। ফসল বিক্রির টাকা সঙ্গে সঙ্গে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখা যাচ্ছে এবং প্রয়োজনে এটিএম কার্ড বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে টাকা তোলা যাচ্ছে।

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, "আগে ধান বিক্রির ৫০-৬০ হাজার টাকা ঘরে রেখে সবসময় চোর-ডাকাতের ভয়ে থাকতাম। এখন বাজারের এজেন্ট দোকানে টাকা রেখে আসি, মুনাফাও পাই, আবার দরকার হলে রাতেও টাকা তুলতে পারি।"

ঋণ বিতরণ ও সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা

এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটগুলোর মাধ্যমে সরকার বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা সরাসরি উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দিচ্ছে। ফলে সরকারি অর্থ বিতরণে স্বচ্ছতা এসেছে শতভাগ।

প্রতিবেদক পরিচিতি

মো. তানভীরুল ইসলাম, ফিনটেক ও ব্যাংকিং ডেস্ক

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ডিজিটাল এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার অভাবনীয় বিস্তার | কৃষিবার্তা