একসময় ব্যাংকিং সেবা ছিল কেবল বড় শহর ও উপজেলা সদরের পাকা দালানে সীমাবদ্ধ। গ্রামের সাধারণ কৃষকদের সেখানে যেতে সময় ও ভাড়ার পয়সা খরচ করতে হতো। বাংলাদেশ ব্যাংকের সময়োপযোগী এজেন্ট ব্যাংকিং নীতিমালার ফলে এখন দেশের প্রতিটি প্রত্যন্ত ইউনিয়ন ও গ্রামীণ বাজারে ব্যাংকিং আউটলেট পৌঁছে গেছে।
আঙুলের ছাপ ও নিমিষেই লেনদেন
কৃষক তার জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে এজেন্ট বুথে গিয়ে মাত্র দুই মিনিটে আঙুলের ছাপে হিসাব খুলতে পারছেন। ফসল বিক্রির টাকা সঙ্গে সঙ্গে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখা যাচ্ছে এবং প্রয়োজনে এটিএম কার্ড বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে টাকা তোলা যাচ্ছে।



