মাত্র ১০টি হাঁসের ডিম দেশি মুরগির নিচে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটানোর মাধ্যমে যে ক্ষুদ্র উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল, তা আজ প্রায় ১৬ একরের বিশাল সমন্বিত কৃষি খামারে রূপ নিয়েছে। নোয়াখালী সদর উপজেলার কাদিরহানিফ ইউনিয়নের দরবেশপুর গ্রামের সংগ্রামী নারী উদ্যোক্তা বিবি রহিমার এই সাফল্যের কথা প্রথম আলোর প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
মাত্র ১০টি হাঁসের ডিম থেকে যাত্রা শুরু করে নোয়াখালীতে ১৬ একরের সমন্বিত কৃষি খামার গড়েছেন বিবি রহিমা

জেলা শহর মাইজদী থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে কাদিরহানিফ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে খালপাড় এলাকায় বিবি রহিমার এই সমন্বিত খামার অবস্থিত। বিভিন্ন জমির মালিকের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে গড়ে তোলা খামারটিতে মাছের ঘের, গরু-ছাগলের খামার, হাঁস-মুরগি পালন এবং পেঁপে, বরই, লাউ ও কুমড়াসহ নানা জাতের দেশীয় ফল ও সবজির আবাদ করা হচ্ছে।
প্রায় ২৩ বছর আগে সংসারে তীব্র অভাব-অনটনের সময় প্রতিবেশীর কাছ থেকে ১০টি হাঁসের ডিম সংগ্রহ করে নিজের দেশি মুরগির নিচে দিয়ে বাচ্চা ফুটিয়েছিলেন রহিমা। সব কটি ডিম থেকে বাচ্চা ফোটার পর সেগুলো লালন-পালন শুরু করেন তিনি। পরে একটি ছাগী পালন এবং ছাগলের বাচ্চা বিক্রি করে গরুর বাছুর কেনার মাধ্যমে ধাপে ধাপে পশুর খামার সম্প্রসারণ করেন।
বর্তমানে স্বামী ও সন্তানদের সহযোগিতার পাশাপাশি খামারটিতে নিয়মিত চার থেকে পাঁচজন শ্রমিক কাজ করছেন। মাছের ঘেরের পাড়ে সারি সারি ফলের গাছ ও সবজি চাষ এবং হাঁস ও গবাদিপশুর সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিবি রহিমা গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতিতে সফল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/3xlb5ms9el)। ঘটনার তারিখ: 2026-10-24
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক
কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।
