সোনালী আঁশে সমৃদ্ধ গ্রামীণ অর্থনীতি: শেরপুরে পাটের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম, ভালো দামে চাষির মুখে হাসি

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক(চিফ এডিটর)
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০০ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ বার পঠিত
সোনালী পাট আঁশ জাগ ও শুকানো প্রতীকী চিত্র
রোদে শুকানো সোনালী পাটের চকচকে আঁশ (প্রতীকী ছবি)ছবি: প্রতীকী ছবি
হরফ:
শেরপুর, ২২ সেপ্টেম্বর (কৃষিবার্তা ডেস্ক): সোনালী আঁশ খ্যাত পরিবেশবান্ধব পাটের ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করে চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলন পেয়েছেন উত্তরের জেলা শেরপুরের পাট চাষিরা। জেলায় নির্ধারিত আবাদ ও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করার পাশাপাশি স্থানীয় হাটগুলোতে পাটের সন্তোষজনক বাজারদর পাওয়ায় চাষিদের মুখে স্বস্তির হাসি ফুটেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও পাট অধিদপ্তর শেরপুর জেলা কার্যালয় সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে উন্নত জাতের তোষা পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হলেও আবাদ হয়েছে প্রায় ১০ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে। নদী ও জলাশয়ে পর্যাপ্ত পানি থাকায় কৃষকরা সময়মতো পাট জাগ দেওয়া (পচানো) সম্পন্ন করতে পেরেছেন এবং উন্নত রিবন রেটিং পদ্ধতির কারণে পাটের আঁশের উজ্জ্বলতা ও গুণগত মান এবার অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। শেরপুর সদর, নকলা ও নালিতাবাড়ীর স্থানীয় পাট হাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে ভালো মানের শুকনো তোষা পাট প্রতি মণ ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় পাইকার এবং জুট মিলের প্রতিনিধিরা সরাসরি হাট থেকে নগদ টাকায় পাট কিনছেন। একজন কৃষক জানান, চার বিঘা জমিতে পাট আবাদ করে উৎপাদন খরচ বাদে তার প্রায় ৬০ হাজার টাকা নিট লাভ হয়েছে। জেলা পাট কর্মকর্তা জানান, পলিথিন ও প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব রোধে দেশি ও আন্তর্জাতিক বাজারে পাটের ব্যাগ, কার্পেট এবং জিও-টেক্সটাইলের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকার কাঁচা পাট রপ্তানি ও বহুমুখী পাটজাত পণ্যের প্রসারে নানামুখী প্রণোদনা দেওয়ায় পাটের অভ্যন্তরীণ বাজার চাঙ্গা রয়েছে। আগামী বছরগুলোতে কৃষকদের আরও বেশি উন্নত পাট বীজ ও আধুনিক জাগ প্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে।
প্রতিবেদক পরিচিতি

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

শেরপুরে পাটের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম: ভালো দামে খুশি কৃষকেরা | কৃষিবার্তা | কৃষিবার্তা