প্রথাগত চাষাবাদ পেরিয়ে এগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি ও সাপ্লাই চেইনের মাধ্যমে অর্থনীতিতে নতুন প্রাণশক্তি

দেশের সামগ্রিক জিডিপিতে কৃষি খাতের রূপান্তরমূলক অবদান ও কর্মসংস্থান প্রবৃদ্ধি

ড. মোজাম্মেল হক, অর্থনীতি কলামিস্ট(চিফ এডিটর)
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০০ PM (বাংলাদেশ সময়) মিনিট পাঠ২৮৯১ বার পঠিত
অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ ও গ্রামীণ বাণিজ্যিক হিসাব-নিকাশের দৃশ্য
জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষি ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের অবদান ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।ছবি: কৃষিবার্তা ফটো ডেস্ক
হরফ:
মূল বিষয়সমূহ এক নজরে (Key Highlights)
  • দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪০ শতাংশের প্রত্যক্ষ জীবিকার উৎস কৃষি খাত
  • পোল্ট্রি, ডেইরি ও মৎস্য খাতের প্রবৃদ্ধির হার বার্ষিক গড়ে ৬ শতাংশের ওপরে
  • গ্রামীণ মজুরি ও সঞ্চয় বৃদ্ধির ফলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা জোরদার

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি দাঁড়িয়ে আছে শক্তিশালী কৃষিখাতের ওপর। বিগত কয়েক দশকে শিল্প ও সেবা খাতের আকার বড় হলেও দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অভ্যন্তরীণ চাহিদা সৃষ্টি এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে কৃষি খাতই মূল ভরসার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করছে।

ফসলের বাইরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের উল্লম্ফন

কৃষি জিডিপির অভ্যন্তরীণ বিন্যাসে দেখা যাচ্ছে, কেবল ধান উৎপাদনের চেয়ে এখন পোল্ট্রি, ডেইরি, মাছ চাষ ও উদ্যান ফসল (হর্টিকালচার) দ্রুতগতিতে বাড়ছে। বিশেষ করে গ্রামীণ যুবকদের খামারমুখী হওয়া এবং উচ্চমূল্যের বিদেশি ফল ও ডেইরি উৎপাদনে তাদের সাফল্য গ্রামীণ সঞ্চয় বহুগুণ বাড়িয়েছে।

অর্থনীতিবিদ ড. আহসানুল বারী বলেন, "কৃষি খাতকে এখন আর কেবল খোরপোশের দৃষ্টিতে দেখার সুযোগ নেই। এটি এখন আধুনিক বাণিজ্যিক এগ্রো-বিজনেস। একজন কৃষক এখন একই সাথে উৎপাদক, উদ্যোক্তা এবং ভোক্তা হিসেবে দেশের জাতীয় বাজারে চাহিদা সৃষ্টি করছেন।"

গ্রামীণ মজুরি সূচকে ইতিবাচক পরিবর্তন

কৃষি শ্রমের আধুনিকীকরণ ও যান্ত্রিকীকরণের ফলে গ্রামীণ মজুরি হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে গ্রামীণ দারিদ্র্যের হার শহর অঞ্চলের চেয়ে দ্রুতগতিতে কমছে।

প্রতিবেদক পরিচিতি

ড. মোজাম্মেল হক, অর্থনীতি কলামিস্ট

কৃষিবার্তা-এর মাঠপর্যায়ের নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদ সংগ্রাহক।

দেশের সামগ্রিক জিডিপিতে কৃষি খাতের রূপান্তরমূলক অবদান ও কর্মসংস্থান প্রবৃদ্ধি | কৃষিবার্তা