বাংলাদেশের প্রধান শস্যভাণ্ডার উত্তরাঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তা ও লাখ লাখ কৃষকের জীবন-জীবিকার স্বার্থে তিস্তা নদীর পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং প্রস্তাবিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন কৃষক নেতা, পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশ আন্দোলনকর্মীরা। শুষ্ক মৌসুমে তিস্তা ব্যারেজে প্রয়োজনীয় পানির প্রবাহ না থাকায় ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে এবং সেচ ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে।
তিস্তা অববাহিকার কৃষি অর্থনীতির বিপর্যয়
রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার কৃষিজমির প্রধান সেচ নির্ভর করে তিস্তা ব্যারেজ কমান্ড এরিয়ার ওপর। কিন্তু ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত নদীতে প্রবাহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় ব্যারেজের প্রধান সেচ খালগুলো শুকিয়ে যায়। এতে আমন ও বোরো আবাদে কৃষকদের ডিজেল চালিত পাম্পের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যা কৃষকের লাভের গুড় খেয়ে ফেলছে।





