দেশের কৃষি উৎপাদনের অন্যতম চালিকাশক্তি হলো সময়মতো প্রয়োজনীয় মূলধন পাওয়া। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকগুলোর দীর্ঘমেয়াদী আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও জামানতের জটিলতার কারণে সাধারণ কৃষকরা অনেক সময় বেসরকারি এনজিও ও মহাজনদের কাছ থেকে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ চড়া সুদে ঋণ নিতে বাধ্য হন। এই ঋণের বোঝা টানতে গিয়ে অনেক কৃষক নিঃস্ব হয়ে পড়েন। এ সংকট দূর করতে প্রাতিষ্ঠানিক কৃষি ঋণ কাঠামোর আধুনিকায়ন শুরু হয়েছে।
কৃষক কার্ডেই মিলবে তাৎক্ষণিক স্বল্পমেয়াদী ঋণ
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে যৌথ বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সুপারিশ করেছে যে, সরকারি কৃষি কার্ডধারী কৃষকদের জন্য সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ ৪ শতাংশ রেয়াতি সুদে প্রদান করতে হবে। শস্য কাটার পর কৃষক যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কিস্তি পরিশোধ করতে পারেন, সেজন্য ঋণের মেয়াদ পুনর্নির্ধারণ করা হবে।





